করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি সবজি চাষ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি সবজি চাষ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০

 

উচ্ছে বা করলা একটি উৎকৃষ্ট সবজি। ভেজষগুণযুক্ত সবজীগুলোর মধ্যে অন্যতম।

জাত: স্থানীয় জাতের করলা ছাড়া উফসী জাতের বারী-২ ও বারী-৩ বেশ ভালো। হাইব্রিড জাতের করলা চাষ করলে ফলন অনেক বেশী পাওয়া যায়। সুপ্রিম সীড, লালতীর, এসিআই,ইয়ং এর হাইব্রিড বীজ গুলো বেশ ভালো।

জমিঃ বাংলাদেশের সব এলাকা করলা চাষের উপযোগী।দোঁআশ পলি দো-আশ মাটি করলা চাষের জন্য বেশী উপযোগী।করলা চাষের জন্য মাটির কাঙ্কিত মান  পি এইচ ৫.৫ থেকে ৬.৭ এবং তাপমাত্রা ২৫সেঃ থেকে ৩০0 সেঃ।

জেনে নিন >> পটল চাষ:এক বার রোপণ করলে টানা চার বছর বিক্রি

বীজ বপনের সময়ঃ পৌষ ও মাঘ মাস ব্যাতিত সারা বছর করলা চাষ করা যায়।তবে ফাল্গুন-চৈত্র ছোট জাতের ও ভাদ্র-আশ্বিন বড় ও মাঝারী জাতের করলার বীজ বপনের উপযুক্ত সময়।

বীজের পরিমানঃ প্রতি শতাংশে ১০-১৫ গ্রাম এবং প্রতি একরে ১.২৫ কেজি থেকে ১.৫০ কেজি। তবে চারা শেডে(পলি ব্যাগে) তৈরী করলে বীজের পরিমান অনেক কম লাগে।

 


 

বীজ বপন পদ্ধতিঃ করলার বীজ সরাসরি বেডে বপন করা যায়। তবে শেডে চারা তৈরী করলে উৎপাদন খরচ কম হয়। বীজ বপনের পূর্বে বীজ রোদে  ১-২ ঘন্টা  রেখে ঠান্ডা করার পর ১২-১৫ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে অঙ্কুরোদগম দ্রুততর হয়।সারি থেকে সারি ৫ ফুট এবং চারা থেকে চারার দুরত্ব ৩ ফুট। নিদৃষ্ট দুরত্বে ২টি বীজ বপন করতে হবে।চারা একটু বড় হলে সুস্থ একটি চারা রেখে অন্যটি তুলে ফেলতে হবে। প্যাকেট এর চারা হলে চারা ২-৩ ইঞ্চি লম্বা (চারার বয়স ১৫-২০ দিন) হলে নিদৃষ্ট দুরত্বে একটি সবল চারা রোপন করতে হবে।

জেনে নিন>> লাভজনক পদ্ধতিতে ঝিঙ্গা চাষ পদ্ধতি

তৈরী সার প্রয়োগঃভালো ভাবে জমি চাষ করে রোদে শুকানোর সোর প্রয়োগ করতে হবে।

(প্রতি শতাংশে সার প্রয়োগ)

সার জমি তৈরীর সময় শেষ চাষের সময় প্রথম উপরী প্রয়োগ ২য় উপরী প্রয়োগ ৩য় উপরী প্রয়োগ
গোবর ৫০ কেজি
ইউরিয়া ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম
টিএসপি ৮০০ গ্রাম
এমওপি ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম
জিপসাম ৪০০ গ্রাম
জিংক ৫০ গ্রাম
বোরণ ৫০ গ্রাম

গাছের আকার ভালো না হলে ২য় ও ৩য় উপরী সার প্রয়োগের সময় প্রতি শতাংশে ২০০ গ্রাম ডিএপি প্রয়োগ করতে হবে।

সংগ্রহ ফলনঃ বীজ বপনের ৬০-৭০ দিন পর ফসল সংগ্রহ শুরু হয়।প্রতি একরে প্রায় ১১-১২ টন করলা পাওয়া যায়।

 


পোকামাকড় বলাই দমনঃ করলার চারা গজানোর পর থেকে নিয়মিত ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে। করলা পামকিন বিটল দ্বারা আক্রান্ত হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক স্প্রে করতে হরে।ফল ছিদ্রকারী পোকার জন্য বিষটোপ ব্যবহার করতে হবে। নিয়মিত বালাই নাশক ব্যবহার ছত্রাক দ্বারা সহজে আক্রান্ত হবে না।ফলের সাইজ ছোট ও ফলন কম হলে সলুবর বোরণ ও  জৈব উদ্দীপক হরমোন( জিবরেলিক এসিড, নাইট্রো বেনজিন ইত্যাদি) ১৫ দিন পর পর ৩-৪ বার ব্যবহার করতে হবে।

পরবর্তী পরিচর্যাঃ চারা মাঁচায় উঠার পযর্ন্ত পার্শ্ব কুশি ও মরা পাতা ছাঁটাই করতে হবে।নিড়ানী দিয়ে হবে।প্রয়োজনে সেচ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।  আগাছা দমন করতে হবে।মাছি পোকা দ্বারা আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে মাটিতে পুতে ফেলতে হবে।

 



Please Share This Post in Your Social Media

9 responses to “করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি”

  1. Saidur says:

    shundor Tor kormo

  2. […] জেনে নিন>> করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি […]

  3. […] জেনে নিন>> করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি […]

  4. […] জেনে নিন>>  করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি […]

  5. […] করলে ভালো কিছু করা সম্ভব। পড়ুন>>করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি তিনি আরও বলেন রতন স্যারকে অনুসরণ করে […]

  6. […] রংপুরের হাজিরহাটের মন্থনা সিটির মোড় এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে।এ মারপিটে ৩জন আহত হয়েছে।পড়ুন>>করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!