ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্ত্রীসহ ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুলের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসে ৮৬ পদে কর্মী নিয়োগ, আবেদনের শেষ ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটে ‘নিরাপদ যাতায়াত বাস্তবায়ন পরিষদের বর্ণাঢ্য অভিষেক অনুষ্ঠিত সিরীয় ভূখণ্ডে নেতানিয়াহুর প্রবেশ: তীব্র নিন্দা জানিয়ে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান কাতারের শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ: শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষক স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত নাটোরে ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে পরিবেশ রক্ষায় নিম গাছের চারা বিতরণ  ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহতের দাবি, বিজিবি নিশ্চিত করল একজনের মৃত্যু সবজির পর ডিমের বাজারে উত্তাপ: ডজনপ্রতি দাম পৌঁছাল ১৬৫ টাকায়, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআরআই প্রতিনিধিদলের বৈঠক, সাইবার আইন ও বুলিং নিয়ে আলোচনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ: প্রার্থী বাছাইয়ে হিমশিম নেতৃত্ব

ফাল্গুন মাসের কৃষি কাজ

স‍ৃষ্টি কৃষি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ১২৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

গাছে গাছে নতুন পাতা, মুকুল আর কোকিলের ডাক জানিয়ে দেয় ঋতুরাজ বসন্তের। দুই মাসের শীতে মৃতপ্রায় সুপ্তাবস্থা থেকে জেগে উঠতে শুরু করে ফাল্গুন মাসে। ফুলে ফুলে চারদিকে রঙিন হয়ে ওঠে। কৃষিতেও আসে নতুন প্রাণ।

নতুন উদ্যোমে মাঠে নেমে পড়েন কৃষকরা। যদিও এসময়টাতে মৌসুমী সর্দি জ্বর এবং ফুলের রেণুর কারণে অ্যালার্জিজনিত সর্দি, চোখ জ্বালাপোড়া চোখ ওঠাসহ কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। ইংরেজী মধ্য ফেব্রুয়ারী থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত ফাল্গুন মাস ধরা হয়।

জেনে নিন >>তরমুজ চাষ পদ্ধতি

শাকসবজি

এ মাসে বসতবাড়ির বাগানে জমি তৈরি করে ডাঁটা, কমলিশাক, পুঁইশাক, করলা, ঢেঁড়স, বেগুন, পটোল চাষের উদ্যোগ নিতে হবে। মাদা তৈরি করে চিচিঙ্গা, ঝিঙা, ধুন্দুল, শসা, মিষ্টি কুমড়া, চালকুমড়ার বীজ বুনে দিতে পারেন।

সবজি চাষে পর্যাপ্ত জৈবসার ব্যবহার করতে হবে। পরিকল্পিতভাবে জৈব সার ব্যবহার করলে সবজি ক্ষেতে রাসায়নিক সারের প্রয়োজন হয় না।

জেনে নিন>> সব ফসলে সঠিক পরিমান সার প্রয়োগের পরিমান ও পদ্ধতি জানা যাবে মোবাইলেই

 




বোরো ধান

ধানের চারার বয়স ৫০-৫৫ দিন হলে ইউরিয়া সারের শেষ কিস্তি উপরিপ্রয়োগ করতে হবে। সার দেয়ার আগে জমির আগাছা পরিষ্কার করতে হবে এবং জমি থেকে পানি সরিয়ে দিতে হবে।

ধানের কাইচ থোড় আসা থেকে শুরু করে ধানের দুধ আসা পর্যন্ত ক্ষেতে ৩/৪ ইঞ্চি পানি ধরে রাখতে হবে। পোকা দমনের জন্য নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করতে হবে এবং সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে (আলোর ফাঁদ পেতে, পোকা ধরার জাল ব্যবহার করে, ক্ষতিকর পোকার ডিমের গাদা নষ্ট করে, উপকারী পোকা সংরক্ষণ করে, ক্ষেতে ডালপালা পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করে) ধানক্ষেত বালাইমুক্ত রাখতে হবে।

এ সময় ধান ক্ষেতে উফরা, ব্লাস্ট, পাতাপোড়া ও টুংরো রোগ দেখা দেয়। জমিতে উফরা রোগ দেখা দিলে যেকোন কৃমিনাশক যেমন- কার্বোফুরান ১০ জি বা অন্য দানাদার জাতীয় কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

ব্লাস্ট রোগ দেখা দিলে ইউরিয়া সারের উপরি প্রয়োগ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে এবং একরপ্রতি ১৬০ গ্রাম ট্রুপার বা জিল বা ন্যাটিভ বা ব্লাসটিন ১০-১৫ দিনের ব্যবধানে দু’বার প্রয়োগ করতে হবে।

জমিতে পাতাপোড়া রোগ হলে অতিরিক্ত ৫ কেজি/বিঘা হারে পটাশ সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে এবং জমির পানি শুকিয়ে ৭-১০ দিন পর আবার সেচ দিতে হবে। টুংরো রোগ দমনের জন্য এর বাহক পোকা সবুজ পাতাফড়িং দমন করতে হবে।

জেনে নিন>>  করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি

ভুট্টা (রবি)

জমিতে শতকরা ৭০-৮০ ভাগ গাছের মোচা খড়ের রঙ ধারণ করলে এবং পাতার রঙ কিছুটা হলদে হলে মোচা সংগ্রহ করতে হবে। বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে শুকনো আবহাওয়ায় মোচা সংগ্রহ করে ফেলতে হবে।

সংগ্রহ করা মোচা ভালোভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। মোচা সংগ্রহের পর উঠানে পাট বিছিয়ে তার উপর শুকানো যায় অথবা জোড়া জোড়া বেঁধে দড়ি বা বাঁশের সাথে অথবা টিনের চাল বা ঘরের বারান্দায় ঝুলিয়ে শুকানোর কাজটি করা যায়।

জেনে নিন>>  ভুট্টা চাষ পদ্ধতি




ভুট্টা (খরিপ)

খরিপ মৌসুমে ভুট্টা চাষ করতে চাইলে এখনই বীজ বপন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় যত্ন নিতে হবে। বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৪, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৫ এসব হলো ভুট্টার উন্নত জাত।

জেনে নিন>> নিষিদ্ধ ৮টি কীটনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন

জেনে নিন>> পাট চাষ পদ্ধতি

পাট

ফাল্গুনের মাঝামাঝি থেকে চৈত্রের শেষ পর্যন্ত পাটের বীজ বপনের উপযুক্ত সময়। ফাল্গুন মাসে বপন উপযোগী পাটের ভালো জাতগুলো হলো সিসি-৪৫, বিজেআরআই দেশী পাট শাক-১ (বিজেসি-৩৯০), ফাল্গুনী তোষা (ও-৯৮৯৭), বিজেআরআই তোষা পাট-৪ (ও-৭২)।

পাট চাষের জন্য উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি নির্বাচন করে আড়াআড়িভাবে ৫-৬টি চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। সারিতে বুনলে প্রতি শতাংশে ২৫ গ্রাম বীজ প্রয়োজন হয়।

তবে ছিটিয়ে বুনলে আরেকটু বেশি অর্থাৎ ৩০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন হয়। পাটের জমিতে সারি থেকে সারির দূরত্ব ৩০ সেন্টিমিটার (প্রায় ১ ফুট) এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৭ সেন্টিমিটার (প্রায় ৩ ইঞ্চি) রাখা ভালো।

ভালো ফলনের জন্য প্রতি একরে ৭০ কেজি   ইউরিয়া, ১০ কেজি টিএসপি, ১২ কেজি এমওপি, ১৮ কেজি জিপসাম এবং প্রায় ৪.৫ কেজি জিংকসালফেট সার প্রয়োগ করতে হবে।

জেনে নিন>> আমের রোগ বালাই ও প্রতিকার

 




গম

এ মাসের দ্বিতীয় পক্ষ থেকে গম পাকা শুরু হয়। গম শীষের শক্ত দানা দাঁত দিয়ে কাটলে যদি কট কট শব্দ হয় তবে বুঝতে হবে গম কাটার সময় হয়েছে। সকালে অথবা পড়ন্ত বিকেলে ফসল কাটা উচিত।

বীজ ফসল কাটার পর রোদে শুকিয়ে খুবই তাড়াতাড়ি মাড়াইঝাড়াই করে ফেলতে হবে। সংগ্রহ করা বীজ ভালো করে শুকানোর পর ঠাণ্ডা করে সংরক্ষণ করতে হবে।

জেনে নিন>> লাভজনক পদ্ধতিতে ঝিঙ্গা চাষ পদ্ধতি




Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফাল্গুন মাসের কৃষি কাজ

আপডেট সময় : ০৬:১২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

 

গাছে গাছে নতুন পাতা, মুকুল আর কোকিলের ডাক জানিয়ে দেয় ঋতুরাজ বসন্তের। দুই মাসের শীতে মৃতপ্রায় সুপ্তাবস্থা থেকে জেগে উঠতে শুরু করে ফাল্গুন মাসে। ফুলে ফুলে চারদিকে রঙিন হয়ে ওঠে। কৃষিতেও আসে নতুন প্রাণ।

নতুন উদ্যোমে মাঠে নেমে পড়েন কৃষকরা। যদিও এসময়টাতে মৌসুমী সর্দি জ্বর এবং ফুলের রেণুর কারণে অ্যালার্জিজনিত সর্দি, চোখ জ্বালাপোড়া চোখ ওঠাসহ কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। ইংরেজী মধ্য ফেব্রুয়ারী থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত ফাল্গুন মাস ধরা হয়।

জেনে নিন >>তরমুজ চাষ পদ্ধতি

শাকসবজি

এ মাসে বসতবাড়ির বাগানে জমি তৈরি করে ডাঁটা, কমলিশাক, পুঁইশাক, করলা, ঢেঁড়স, বেগুন, পটোল চাষের উদ্যোগ নিতে হবে। মাদা তৈরি করে চিচিঙ্গা, ঝিঙা, ধুন্দুল, শসা, মিষ্টি কুমড়া, চালকুমড়ার বীজ বুনে দিতে পারেন।

সবজি চাষে পর্যাপ্ত জৈবসার ব্যবহার করতে হবে। পরিকল্পিতভাবে জৈব সার ব্যবহার করলে সবজি ক্ষেতে রাসায়নিক সারের প্রয়োজন হয় না।

জেনে নিন>> সব ফসলে সঠিক পরিমান সার প্রয়োগের পরিমান ও পদ্ধতি জানা যাবে মোবাইলেই

 




বোরো ধান

ধানের চারার বয়স ৫০-৫৫ দিন হলে ইউরিয়া সারের শেষ কিস্তি উপরিপ্রয়োগ করতে হবে। সার দেয়ার আগে জমির আগাছা পরিষ্কার করতে হবে এবং জমি থেকে পানি সরিয়ে দিতে হবে।

ধানের কাইচ থোড় আসা থেকে শুরু করে ধানের দুধ আসা পর্যন্ত ক্ষেতে ৩/৪ ইঞ্চি পানি ধরে রাখতে হবে। পোকা দমনের জন্য নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করতে হবে এবং সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে (আলোর ফাঁদ পেতে, পোকা ধরার জাল ব্যবহার করে, ক্ষতিকর পোকার ডিমের গাদা নষ্ট করে, উপকারী পোকা সংরক্ষণ করে, ক্ষেতে ডালপালা পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করে) ধানক্ষেত বালাইমুক্ত রাখতে হবে।

এ সময় ধান ক্ষেতে উফরা, ব্লাস্ট, পাতাপোড়া ও টুংরো রোগ দেখা দেয়। জমিতে উফরা রোগ দেখা দিলে যেকোন কৃমিনাশক যেমন- কার্বোফুরান ১০ জি বা অন্য দানাদার জাতীয় কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

ব্লাস্ট রোগ দেখা দিলে ইউরিয়া সারের উপরি প্রয়োগ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে এবং একরপ্রতি ১৬০ গ্রাম ট্রুপার বা জিল বা ন্যাটিভ বা ব্লাসটিন ১০-১৫ দিনের ব্যবধানে দু’বার প্রয়োগ করতে হবে।

জমিতে পাতাপোড়া রোগ হলে অতিরিক্ত ৫ কেজি/বিঘা হারে পটাশ সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে এবং জমির পানি শুকিয়ে ৭-১০ দিন পর আবার সেচ দিতে হবে। টুংরো রোগ দমনের জন্য এর বাহক পোকা সবুজ পাতাফড়িং দমন করতে হবে।

জেনে নিন>>  করলা বা উচ্ছে চাষ পদ্ধতি

ভুট্টা (রবি)

জমিতে শতকরা ৭০-৮০ ভাগ গাছের মোচা খড়ের রঙ ধারণ করলে এবং পাতার রঙ কিছুটা হলদে হলে মোচা সংগ্রহ করতে হবে। বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে শুকনো আবহাওয়ায় মোচা সংগ্রহ করে ফেলতে হবে।

সংগ্রহ করা মোচা ভালোভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। মোচা সংগ্রহের পর উঠানে পাট বিছিয়ে তার উপর শুকানো যায় অথবা জোড়া জোড়া বেঁধে দড়ি বা বাঁশের সাথে অথবা টিনের চাল বা ঘরের বারান্দায় ঝুলিয়ে শুকানোর কাজটি করা যায়।

জেনে নিন>>  ভুট্টা চাষ পদ্ধতি




ভুট্টা (খরিপ)

খরিপ মৌসুমে ভুট্টা চাষ করতে চাইলে এখনই বীজ বপন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় যত্ন নিতে হবে। বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৪, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৫ এসব হলো ভুট্টার উন্নত জাত।

জেনে নিন>> নিষিদ্ধ ৮টি কীটনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন

জেনে নিন>> পাট চাষ পদ্ধতি

পাট

ফাল্গুনের মাঝামাঝি থেকে চৈত্রের শেষ পর্যন্ত পাটের বীজ বপনের উপযুক্ত সময়। ফাল্গুন মাসে বপন উপযোগী পাটের ভালো জাতগুলো হলো সিসি-৪৫, বিজেআরআই দেশী পাট শাক-১ (বিজেসি-৩৯০), ফাল্গুনী তোষা (ও-৯৮৯৭), বিজেআরআই তোষা পাট-৪ (ও-৭২)।

পাট চাষের জন্য উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি নির্বাচন করে আড়াআড়িভাবে ৫-৬টি চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। সারিতে বুনলে প্রতি শতাংশে ২৫ গ্রাম বীজ প্রয়োজন হয়।

তবে ছিটিয়ে বুনলে আরেকটু বেশি অর্থাৎ ৩০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন হয়। পাটের জমিতে সারি থেকে সারির দূরত্ব ৩০ সেন্টিমিটার (প্রায় ১ ফুট) এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৭ সেন্টিমিটার (প্রায় ৩ ইঞ্চি) রাখা ভালো।

ভালো ফলনের জন্য প্রতি একরে ৭০ কেজি   ইউরিয়া, ১০ কেজি টিএসপি, ১২ কেজি এমওপি, ১৮ কেজি জিপসাম এবং প্রায় ৪.৫ কেজি জিংকসালফেট সার প্রয়োগ করতে হবে।

জেনে নিন>> আমের রোগ বালাই ও প্রতিকার

 




গম

এ মাসের দ্বিতীয় পক্ষ থেকে গম পাকা শুরু হয়। গম শীষের শক্ত দানা দাঁত দিয়ে কাটলে যদি কট কট শব্দ হয় তবে বুঝতে হবে গম কাটার সময় হয়েছে। সকালে অথবা পড়ন্ত বিকেলে ফসল কাটা উচিত।

বীজ ফসল কাটার পর রোদে শুকিয়ে খুবই তাড়াতাড়ি মাড়াইঝাড়াই করে ফেলতে হবে। সংগ্রহ করা বীজ ভালো করে শুকানোর পর ঠাণ্ডা করে সংরক্ষণ করতে হবে।

জেনে নিন>> লাভজনক পদ্ধতিতে ঝিঙ্গা চাষ পদ্ধতি




Facebook Comments Box