সৌখিন পাখী কবুতর চাষ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সৌখিন পাখী কবুতর চাষ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশালে নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ইছমাইল উদ্দিনের ব্যাচেলর ডিগ্রী অর্জন পর্তুগাল থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনায় সিক্ত হলেন তালুকদার গিয়াস উদ্দিন ভাইরাল তাজু ভাই এবার টাইমস টুডের মফস্বল সাংবাদিক রাণীশংকৈলে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক দ্বিতীয় স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও ঋণের চাপে ইউপি সদস্যের আত্মহত্যার অভিযোগ কদমতলীতে জাল নোট তৈরির কারখানায় অভিযানে জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ২ দৌলতপুরে ছেলের টর্চলাইটের আঘাতে বাবার মৃত‍্যু ফেসবুকে ৩০ জুলাই এসএসসি ফল প্রকাশের গুঞ্জনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান শিক্ষা বোর্ডের ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ এশিয়ার ৬ দেশ: জেনে নিন তালিকা

সৌখিন পাখী কবুতর চাষ

মাহিউদ্দিন অনীক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০
কবুতর

কবুতর শান্তির প্রতীক, ভালোবাসার পাখি

মাহিউদ্দিন অনীক বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কবুতরের তুলনা হয় না। বাংলাদেশে ৩০+ প্রজাতির কবুতর আছে। একেকটার সৌন্দর্য বা বৈশিষ্ট একেক রকম। কোনোটার লেজের সৌন্দর্য, কোনোটার ডাক, কোনোটা আকাশে দিগবাজি দেয় আবার কোনোটা মাটিতে। কোনোটার রং বাহারী আবার কোনোটা শিকারী।কবুতরের মাংসের পুষ্টির কোনো তুলনা হয় না। পূর্বে কবুতর সৌখিনতা ও রেস প্রতিযোগীতার জন্য ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে এটি দেশে মাংশের চাহিদার অনেকটা মিটিয়ে চলেছে।

বাড়িতে মাত্র ৩ জোড়া কবুতর রাখলে মাসে অন্তত ৪টি খাওয়ার বাচ্চা পাওয়া যায়। কবুতরের মাংস যেমন পুষ্টিকর তেমন সুস্বাদু।সবাই এর মাংস খুব পছন্দ করে। তাই বাজারের ভেজাল মাংস থেকে দুরে থাকতে পারবেন।প্রাচীনকালে কবুতরকে সংবাদবাহক পাখি হিসেবে রাজা-বাদশাহরা পালন করে থাকতেন। কবুতরের মাধ্যমে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে চিঠি আদান-প্রদান করা হতো।তবে যুদ্ধক্ষেত্রে কবুতরের ব্যবহার অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়। এ যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলো লক্ষ্যাধিক কবুতর। বিখ্যাত”চের আমি” কবুতরটি অর্জন করেছিল ফ্রান্সের Croix de Guerre পদক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সাহসিকতার সাথে বার্তা আদান-প্রদানের জন্য ৩২টি কবুতরকে ব্রিটিশদের পক্ষ থেকে ডিকিন পদক দেয়া হয়েছিল।এর মধ্যে “দি মকর” কবুতরটি আহত হওয়ার আগ পর্যন্ত ৫২টি বিপজ্জনক মিশন সম্পন্ন করেছে। শিক্ষিত এ কবুতরগুলো  ১০০ কি.মি. থেকে শুরু করে ১৮০০ কি.মি. অর্থাৎ ১১০০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে চিঠি-পত্র ও যুদ্ধের প্রয়োজনীয় জিনিস গন্তব্যস্থলে পৌছেদিতে সক্ষম ছিলো। এমনকি এ যুদ্ধে একটি কবুতর ২০০ সৈন্যকে পথ দেখিয়ে শত্রূদের হাত থেকে তাদের জীবন বাচিয়েছিলো।

কবুতর পালন ও পরিচর্যা:  

বাংলাদেশের জলবায়ু এবং বিস্তীর্ণ শস্যক্ষেত্র কবুতর পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তাছাড়া হাঁস-মুরগীর চেয়ে কবুতরের রোগ-বালাই অনেক কম। তাই যে কেউই বাড়িতে ২-৩ জোড়া কবুতর সহজেই রাখা যাবে।

সাধারণত ভালো জাতের এক জোড়া গোলা কবুতর ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা উঠাতে সময় নেয় ১৭-১৮ দিন। এবং বাচ্চা খাওয়ার উপযুক্ত হতে সময় লাগে ১৮-২০ দিন। যদিও এ কবুতর বাচ্চা থাকতেই আবার ডিম  দেয়, তবুও বিরতি ৭ দিন ধরলে  (১৮+২০+৭)= ৪৫ দিন। অর্থাৎ সুষ্ঠুভাবে পালন করলে ৪৫ দিনে এক জোড়া বাচ্চা পাওয়া যায়। সেটা দেশি কবুতরের বিষয়ে, আর যারা কবুতর পালনে নতুন, তাদের অবশ্যই দেশি জাতের কবুতরই পালন করাই উত্তম। কারন দেশি কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি, খরচ কম। সাধারনত কবুতর বছরে ৭-৮ বার বাচ্চা দেয়।ব্রিডিং করলে বছরে এক জোড়া থেকে ৯-১০ বার সহজে বাচ্চা নেয়া যায়।

জেনে নিন >> সহজেই লাভজনক পদ্ধতিতে লাউ চাষ করুন

 আপনাদের এলাকা অথবা বাজারের চাহিদা অনুযায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন একটু বেশি মূল্যের কবুতর দু-এক জোড়া নিয়ে নিতে পারেন।দেশি ককা, বাশিরাজ ককা, রেসার বা হোমার,লোটন,মাদ্রাজী, চিলা, লাক্ষা ইত্যাদি কবুতরগুলোর যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি, তেমনি বাড়ি চেনার ক্ষমতাও অনেক বেশি। রেসার কবুতরের এমনও রেকর্ড আছে যে, হারিয়ে বা চুরি হয়ে যাওয়ার এক বৎসর পরও বাড়িতে ফিরে এসেছে। দেশি ককাও ভালো বাড়ি চিনে থাকে।  এ দুটো জাত ব্রিডিং করা সহজ।কবুতরের ব্রিডিং করা বাচ্চা আর দেশীয় কবুতরের দামে বিক্রি করতে হবে না, বরং এক জোড়া বাচ্চার মূল্যই হবে ১০০০/= এক হাজার টাকা অথবা এর চেয়েও বেশি। অথচ খরচ আগের মতোই থাকবে। ১ জোড়া দেশি ককা ৩ হাজারে আর এক জোড়া বাশিরাজ ৫ হাজারে বিক্রি হয়।তবে এর জন্য আপনাকে আগে দেশি কবুতর ফস্টার হিসেবে তৈরী করে নিতে হবে। তাহলে দামি কবুতরের থেকে শুধু ডিম নিয়ে দেশি কবুতর দিয়ে বাচ্চা তুলিয়ে নিতে পারবেন। এতে এক জোড়া দামি কবুতর থেকে মাসে কয়েক জোড়া ডিম-বাচ্চা পাবেন। বাশিরাজ ককার বাচ্চা ৩৫০০-৪৫০০ টাকা জোড়া বিক্রি হয়। এছাড়াও মাদ্রাজি, টেডি, কিং সহ আরো বহু কবুতর আরো সুউচ্চ মূল্যে বিক্রি হয়ে থাকে।তবে এর জন্য আগে দেশি কবুতর ফস্টার হিসেবে তৈরী করে নিতে হবে। তাহলে দামি কবুতরের থেকে শুধু ডিম নিয়ে দেশি কবুতর দিয়ে বাচ্চা তুলিয়ে নিতে পারবেন। এতে এক জোড়া দামি কবুতর থেকে মাসে কয়েক জোড়া ডিম-বাচ্চা পাওয়া যায়

আবাস্থল:

কবুতরের থাকার জন্য ১  ফুট সাইজের বাঁশের খাঁচা, কাঠের বাক্স তৈরী কিংবা প্লাস্টিকের ঝুরী  হলেই হবে। খাঁচার সব পাশ বন্ধ রেখে ৩ ইঞ্চি সাইজের দরজা রাখতে হবে।

কবুতরের আবাসে নেউল, বন বিড়াল,বাঘ ডাসা,, বিড়াল, কাক, ইদুরে ইত্যাদি আক্রমণ করলে কবুতর ঠিকমতো ডিম দেয় না, ডিম নষ্ট হয়ে যায়, বাচ্চা মারা যায় এবং কবুতর বাসা থেকে চলে যায় ।

জেনে নিন কেন সজনে পাতা খাবেন >> সুপার ফুড মিরাক্কেল শাক সজনে পাতা

কবুতরের খাবার:

এক জোড়া দেশি কবুতর গড়ে প্রতিদিন ৭০-৮০ গ্রাম খাবার খাযযদিও দেশি কবুতর ক্ষেত্রবিশেষে অনেক সময় নিজের খাবার নিজেই সংগ্রহ করে থাকে, অথবা বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবার খেয়েও বেচে থাকে, তবুও গম/ভুট্টা/ধান ইত্যাদি দানাদার খাবার দিতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

9 responses to “সৌখিন পাখী কবুতর চাষ”

  1. […] পোকামাকড় ও বলাই দমনঃ হাইব্রিড মরিচ চারা গজানোর পর থেকে ফসল তোলার ২৫ দিন পূর্ব পর্যন্ত নিয়মিত ম্যানকোজেব/কার্বাডিজেম ও কপার অক্সিক্লোরাইড জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে। মরিচ পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।লেদা পোকার জন্য সাইপারমেথ্রিন ও ক্লোরোপাইরিফস কীটনাশক একত্রে বিকেলে গাছে স্প্রে করতে হবে। নিয়মিত বালাই নাশক ব্যবহার করলে কান্ড পচা ও ডাল পচা রোগে সহজে আক্রান্ত হয় না।  মরিচ গাছের আকার দুর্বল ও মরিচের সাইজ ছোট  হলে ডিএপি ও ইউরিয়া সার উপরী প্রয়োগ করতে হবে। জৈব উদ্দীপক হরমোন( জিবরেলিক এসিড, নাইট্রো বেনজিন ইত্যাদি  ১৫ দিন পর পর ৩-৪ বার ব্যবহার করতে হবে।)  সলুবর বোরণ, চিলেটেড জিংক ৩/৫ বার মরিচ তোলার পর  ১৫ দিন পরপর নির্দেশিত  মাত্রায় স্প্রে এবং ডি এ পি সার শতকে ২০০ গ্রাম  উপরী  প্রয়োগ করতে হবে। https://sristy.net/home-%e0%a6%aa%e0%a6%9f%e0%a6%b2-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b7-%e0%a6%8f%e0%a6%95-%… […]

  2. […] প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। জেনে নিন>>সৌখিন পাখী কবুতর চাষ এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপজেলা […]

  3. […] আশ্বিন মাসে গবাদিপশুকে কৃমির ওষুধ খাওয়ানো দরকার। গবাদিপশুকে খোলা জায়গায় না রেখে রাতে ঘরের ভেতরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। পানিতে জন্মানো পশু খাদ্য এককভাবে না খাইয়ে শুকিয়ে খড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এ সময় ভুট্টা, মাসকলাই, খেসারি বুনো ঘাস উৎপাদন করে গবাদিপশুকে খাওয়াতে পারেন। গর্ভবতী গাভীকে, সদ্য ভূূমিষ্ঠ বাছুর ও দুধালো গাভীর বিশেষ যত্ন নিতে হবে। এ সময় গবাদি প্রাণীর মড়ক দেখা দিতে পারে। তাই গবাদিপশুকে তড়কা, গলাফুলা, ওলান ফুলা রোগের জন্য প্রতিষেধক, প্রতিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চত করতে হবে। জেনে নিন>>সৌখিন পাখী কবুতর চাষ […]

  4. […] আশ্বিন মাসে গবাদিপশুকে কৃমির ওষুধ খাওয়ানো দরকার। গবাদিপশুকে খোলা জায়গায় না রেখে রাতে ঘরের ভেতরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। পানিতে জন্মানো পশু খাদ্য এককভাবে না খাইয়ে শুকিয়ে খড়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এ সময় ভুট্টা, মাসকলাই, খেসারি বুনো ঘাস উৎপাদন করে গবাদিপশুকে খাওয়াতে পারেন। গর্ভবতী গাভীকে, সদ্য ভূূমিষ্ঠ বাছুর ও দুধালো গাভীর বিশেষ যত্ন নিতে হবে। এ সময় গবাদি প্রাণীর মড়ক দেখা দিতে পারে। তাই গবাদিপশুকে তড়কা, গলাফুলা, ওলান ফুলা রোগের জন্য প্রতিষেধক, প্রতিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চত করতে হবে। জেনে নিন>>সৌখিন পাখী কবুতর চাষ […]

  5. AndersAarav says:

    thank you so much for this awful internet site me and my kin preferent this contentedness and sixth sense

  6. […] জেনে নিন>>  সৌখিন পাখী কবুতর চাষ […]

  7. […] অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। জেনে নিন>>সৌখিন পাখী কবুতর চাষ মৎস্য সম্পদ বর্ষা মৌসুমে পুকুরের পাড় […]

  8. […] ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জেনে নিন>>সৌখিন পাখী কবুতর চাষ গোখাদ্যের জন্য নেপিয়ার, বাজরা, […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!