ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস: নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে কর্মসূচি জাতিসংঘে ৮১তম অধিবেশন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সামুদ্রিক নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে সরকারের গুরুত্বারোপ: প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জোরদার পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা: ৩০ সেকেন্ডের গেরিলা কৌশলে আতঙ্ক সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় সারির দল পাঠাবে ভারত পরিচালনায় নতুন গল্প নিয়ে ফিরছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাণ্ডব: দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি নাহিদের পাইকগাছা উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম গঠন বামনডাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে রোমা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন

গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে খেয়াল করলেই রোধ করা যাবে মারাত্বক দুর্ঘটনা

সৃষ্টি ঘরোয়া টিপস
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১ ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে খেয়াল করলেই রোধ করা যাবে মারাত্বক দুর্ঘটনা।

এল পি জি মূলত বিউটেন ও প্রোপেন এর সমন্বয়ে গঠিত হয়, অপরদিকে প্রাকৃতিক গ্যাসে থাকে লঘু ভরের মিথেন ও ইথেন.এল পি জি-নির্ভর ব্যবস্থা উদ্ভাবিত হচ্ছে যেখানে এস এন জি (সিনথেটিক ন্যাচারাল গ্যাস) বা প্রাকৃতিক গ্যাস এর একইসাথে স্থানীয় ভাবে মজুদ ও বিতরণ নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে শহরের ও গ্রামের বাড়ীতে সেবা দেয়া যায়।

এতে বিভিন্ন দূরবর্তী স্থানে পরিবহনের খরচ কমানো সম্ভব। এ প্রযুক্তি বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশের মত বাংলাদেশের শহর ও গ্রামগুলোতে বহুল ব্যবহ্রত হচ্ছে।

১৯১০ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর ১৯১২ সালে বাণিজ্যিক রূপে উৎপাদন শুরু হয়। এটি জ্বলে শেষ হলে কোন অবশেষ থাকেনা।

এবং সালফার নির্গত হয়না এজন্য মোট জ্বালানী শক্তির তিন শতাংশই বর্তমানে এল পি জি ।গ্যাসীয় হওয়ায় পানি দূষণ বা মাটির দূষণ ঘটেনা।

এর ক্যালোরিফিক মান ৪৬.১ MJ/kg যেখানে ফার্নেস তেলের জন্য এ মান ৪২.৫ MJ/kg পেট্রোল/গ্যাসোলিন এর জন্য ৪৩.৫ MJ/kg কিন্তু এর শক্তি ঘনত্ব প্রতি একক আয়তনে ২৬ MJ/L অন্য জ্বালানীর তুলনায় বেশ কম কারণ এর আপেক্ষিক ঘনত্ব ফার্নেস তেল (প্রায় ০.৫–০.৫৮ kg/L) ও পেট্রোল/গ্যাসোলিন (০.৭১–০.৭৭ kg/L) হতে কম।

এ গ্যাসের স্ফ‌ুটনাংক সাধারণ তাপমাত্রার নিচে থাকে তাই দ্রুত চাপ মুক্ত হয়ে বাতাসে মিশে যেতে পারে।

তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে যাতে বিস্ফোরণ না হয় সেজন্য ইস্পাত নির্মিত সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ চাপ সহনের মাত্রা পূর্ণ করার বদলে ৮০-৮৫% পূর্ণ করা যায়।

চাপের ফলে তরল গ্যাস ও আবার বায়বীয় রুপে পরিবর্তন মোটামুটি ২৫০:১ অনুপাত বজায় থাকে।

বাস্পীয় চাপ নামক একটি মাত্রার চাপে এ গ্যাস তরল হয়ে থাকে, যার জন্য ২০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বিউটেন এর ক্ষেত্রে ২২০ কিলো প্যাসকাল চাপ প্রয়োজন হয় এবং ৫০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ প্রোপেন এর ক্ষেত্রে ২২০০ কিলো প্যাসকাল চাপ প্রয়োজন হয়।

এল পি জি প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো নয়, বরং বাতাসের চেয়ে ভর বেশি হওয়ায় এটি নিচু স্থান ও বেজমেন্টে জমে থাকতে পারে।

বিপদ সমুহ হল -বাতাসের সাথে ছড়িয়ে পড়ার পর আগুনের সংস্পর্শে জ্বলে উঠে, অন্যথায় অক্সিজেনের স্থান দখল করে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাস রোধ করতে পারে।

জেনে নিন>>  খুব সহজেই ঘর থেকে তেলাপোকা দূর করুন

বর্তমানে বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহ্রত এল পি জি কে জীবাশ্ম জ্বালানী হতে উৎপাদন করা হচ্ছে। সেহেতু এটি দহনের ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড ( CO2 ) নির্গত হয়।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি কয়লার তুলনায় ৫০% কম কার্বন ডাই অক্সাইড ( CO2 ) নির্গত করে এবং প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা শক্তি উৎপাদনের জন্য খনিজ তেল ও কয়লা এর যথাক্রমে ৮১% ও ৭০% ভাগের সমান কার্বন ডাই অক্সাইড ( CO2 )নির্গত করে।

এল পি জি অন্য জীবাশ্ম জ্বালানী হতে কম দূষণ ঘটায় কারণ এটি দহনের ফলে কোন অবশেষ থাকেনা।

গ্যাস সিলিন্ডারেরও মেয়াদ শেষ বা expiry date থাকে যা আমরা অনেকে জানিনা।  মেয়াদ শেষ হলে সিলিন্ডার ভিতরের গ্যাসের চাপ সহ্য করতে পারে না।

লিকেজ হয়ে অনেক সময়  ভিতরের গ্যাস বের হয়ে বাতাসে জ্বলে উঠে মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটে। তাই মেয়াদ শেষ হওয়া কোন সিলিন্ডারকে ঘরে রাখা মানে টাইম বোমা রাখার মতই বিপদ জনক।

আমরা একটু খেয়াল করলেই জানতে পারবো সিলিন্ডারের মেয়াদ আছে কিনা। সিলিন্ডারে ভাল্ব লাগানোর মুখের নিচে একটু দেখলেই মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ ও  উৎপাদন তারিখের সাংকেতিক চিহ্ন লেখা  দেখা যাবে।

 

সব সিলিন্ডারে মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ লেখা থাকলেও উৎপাদন তারিখ সব সিলিন্ডারে লেখা থাকে না। ছবিতে মার্ক করা লেখাই হল মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ । ইংরেজি ১২ মাস কে ৪ ভাগে ভাগ করে A,B,C,D সংকেত দিয়ে বুঝানো হয়েছে।

A = বছরের প্রথম তিন মাস যেমন:- জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারী মার্চ।

B = তার পরের তিন মাস যেমন:- এপ্রিল, মে, জুন।

একই ভাবে C,D দ্বারা ক্রমানুসারে বাকি ছয় মাসকেই বুঝানো হয়।

আর সবার শেষে বছরের শেষ দুই ডিজিট থাকে, অর্থাৎ C17 ( এখানে 17 দিয়ে 2017 ইং বোঝানো হয়েছে) যদি C18 থাকে তার মানে হল 2018 সালের জুলাই, আগস্ট অথবা সেপ্টেম্বর মাসেই আপনার সিলিন্ডারের মেয়াদ বা expiry date হবে।

অনেক সিলিন্ডারে আবার উৎপাদনের তারিখ মাস/ উৎপাদন বছরের শেষ দুই ডিজিট লেখা থাকে। যেমন 07/15 অর্থ  2015 সালের জুলাই মাসে সিলিন্ডারটি তৈরী করা হয়েছে।

মেয়াদের লেখাটা সিলিন্ডারের প্রকারভেদে বিভিন্ন স্থানে থাকতে পারে। দোকান হতে নেয়ার সময় সেটা ভালো করে জেনে নেবেন।

সাধারণ মেয়াদ থাকা অবস্থায় সিলিন্ডারের ভিতরের গ্যাসের চাপে সিলিন্ডার বিস্ফোরন ঘটে না। সিলিন্ডার কেনার সময় মেয়াদ দেখে নিলে দূর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে খেয়াল করলেই রোধ করা যাবে মারাত্বক দুর্ঘটনা

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১

গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে খেয়াল করলেই রোধ করা যাবে মারাত্বক দুর্ঘটনা।

এল পি জি মূলত বিউটেন ও প্রোপেন এর সমন্বয়ে গঠিত হয়, অপরদিকে প্রাকৃতিক গ্যাসে থাকে লঘু ভরের মিথেন ও ইথেন.এল পি জি-নির্ভর ব্যবস্থা উদ্ভাবিত হচ্ছে যেখানে এস এন জি (সিনথেটিক ন্যাচারাল গ্যাস) বা প্রাকৃতিক গ্যাস এর একইসাথে স্থানীয় ভাবে মজুদ ও বিতরণ নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে শহরের ও গ্রামের বাড়ীতে সেবা দেয়া যায়।

এতে বিভিন্ন দূরবর্তী স্থানে পরিবহনের খরচ কমানো সম্ভব। এ প্রযুক্তি বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশের মত বাংলাদেশের শহর ও গ্রামগুলোতে বহুল ব্যবহ্রত হচ্ছে।

১৯১০ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর ১৯১২ সালে বাণিজ্যিক রূপে উৎপাদন শুরু হয়। এটি জ্বলে শেষ হলে কোন অবশেষ থাকেনা।

এবং সালফার নির্গত হয়না এজন্য মোট জ্বালানী শক্তির তিন শতাংশই বর্তমানে এল পি জি ।গ্যাসীয় হওয়ায় পানি দূষণ বা মাটির দূষণ ঘটেনা।

এর ক্যালোরিফিক মান ৪৬.১ MJ/kg যেখানে ফার্নেস তেলের জন্য এ মান ৪২.৫ MJ/kg পেট্রোল/গ্যাসোলিন এর জন্য ৪৩.৫ MJ/kg কিন্তু এর শক্তি ঘনত্ব প্রতি একক আয়তনে ২৬ MJ/L অন্য জ্বালানীর তুলনায় বেশ কম কারণ এর আপেক্ষিক ঘনত্ব ফার্নেস তেল (প্রায় ০.৫–০.৫৮ kg/L) ও পেট্রোল/গ্যাসোলিন (০.৭১–০.৭৭ kg/L) হতে কম।

এ গ্যাসের স্ফ‌ুটনাংক সাধারণ তাপমাত্রার নিচে থাকে তাই দ্রুত চাপ মুক্ত হয়ে বাতাসে মিশে যেতে পারে।

তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে যাতে বিস্ফোরণ না হয় সেজন্য ইস্পাত নির্মিত সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ চাপ সহনের মাত্রা পূর্ণ করার বদলে ৮০-৮৫% পূর্ণ করা যায়।

চাপের ফলে তরল গ্যাস ও আবার বায়বীয় রুপে পরিবর্তন মোটামুটি ২৫০:১ অনুপাত বজায় থাকে।

বাস্পীয় চাপ নামক একটি মাত্রার চাপে এ গ্যাস তরল হয়ে থাকে, যার জন্য ২০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বিউটেন এর ক্ষেত্রে ২২০ কিলো প্যাসকাল চাপ প্রয়োজন হয় এবং ৫০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ প্রোপেন এর ক্ষেত্রে ২২০০ কিলো প্যাসকাল চাপ প্রয়োজন হয়।

এল পি জি প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো নয়, বরং বাতাসের চেয়ে ভর বেশি হওয়ায় এটি নিচু স্থান ও বেজমেন্টে জমে থাকতে পারে।

বিপদ সমুহ হল -বাতাসের সাথে ছড়িয়ে পড়ার পর আগুনের সংস্পর্শে জ্বলে উঠে, অন্যথায় অক্সিজেনের স্থান দখল করে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাস রোধ করতে পারে।

জেনে নিন>>  খুব সহজেই ঘর থেকে তেলাপোকা দূর করুন

বর্তমানে বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহ্রত এল পি জি কে জীবাশ্ম জ্বালানী হতে উৎপাদন করা হচ্ছে। সেহেতু এটি দহনের ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড ( CO2 ) নির্গত হয়।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি কয়লার তুলনায় ৫০% কম কার্বন ডাই অক্সাইড ( CO2 ) নির্গত করে এবং প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা শক্তি উৎপাদনের জন্য খনিজ তেল ও কয়লা এর যথাক্রমে ৮১% ও ৭০% ভাগের সমান কার্বন ডাই অক্সাইড ( CO2 )নির্গত করে।

এল পি জি অন্য জীবাশ্ম জ্বালানী হতে কম দূষণ ঘটায় কারণ এটি দহনের ফলে কোন অবশেষ থাকেনা।

গ্যাস সিলিন্ডারেরও মেয়াদ শেষ বা expiry date থাকে যা আমরা অনেকে জানিনা।  মেয়াদ শেষ হলে সিলিন্ডার ভিতরের গ্যাসের চাপ সহ্য করতে পারে না।

লিকেজ হয়ে অনেক সময়  ভিতরের গ্যাস বের হয়ে বাতাসে জ্বলে উঠে মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটে। তাই মেয়াদ শেষ হওয়া কোন সিলিন্ডারকে ঘরে রাখা মানে টাইম বোমা রাখার মতই বিপদ জনক।

আমরা একটু খেয়াল করলেই জানতে পারবো সিলিন্ডারের মেয়াদ আছে কিনা। সিলিন্ডারে ভাল্ব লাগানোর মুখের নিচে একটু দেখলেই মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ ও  উৎপাদন তারিখের সাংকেতিক চিহ্ন লেখা  দেখা যাবে।

 

সব সিলিন্ডারে মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ লেখা থাকলেও উৎপাদন তারিখ সব সিলিন্ডারে লেখা থাকে না। ছবিতে মার্ক করা লেখাই হল মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ । ইংরেজি ১২ মাস কে ৪ ভাগে ভাগ করে A,B,C,D সংকেত দিয়ে বুঝানো হয়েছে।

A = বছরের প্রথম তিন মাস যেমন:- জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারী মার্চ।

B = তার পরের তিন মাস যেমন:- এপ্রিল, মে, জুন।

একই ভাবে C,D দ্বারা ক্রমানুসারে বাকি ছয় মাসকেই বুঝানো হয়।

আর সবার শেষে বছরের শেষ দুই ডিজিট থাকে, অর্থাৎ C17 ( এখানে 17 দিয়ে 2017 ইং বোঝানো হয়েছে) যদি C18 থাকে তার মানে হল 2018 সালের জুলাই, আগস্ট অথবা সেপ্টেম্বর মাসেই আপনার সিলিন্ডারের মেয়াদ বা expiry date হবে।

অনেক সিলিন্ডারে আবার উৎপাদনের তারিখ মাস/ উৎপাদন বছরের শেষ দুই ডিজিট লেখা থাকে। যেমন 07/15 অর্থ  2015 সালের জুলাই মাসে সিলিন্ডারটি তৈরী করা হয়েছে।

মেয়াদের লেখাটা সিলিন্ডারের প্রকারভেদে বিভিন্ন স্থানে থাকতে পারে। দোকান হতে নেয়ার সময় সেটা ভালো করে জেনে নেবেন।

সাধারণ মেয়াদ থাকা অবস্থায় সিলিন্ডারের ভিতরের গ্যাসের চাপে সিলিন্ডার বিস্ফোরন ঘটে না। সিলিন্ডার কেনার সময় মেয়াদ দেখে নিলে দূর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

 

Facebook Comments Box