ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস ব্যাংক খাতের মতো বীমা খাতেও লুটপাট চলছে: অর্থমন্ত্রী শিক্ষক সংকটের জেরে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অবরুদ্ধ শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর আইসিসির জোড়া শাস্তির মুখে পাকিস্তান আসিফ নজরুলের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মন্তব্যটি ভুয়া সঞ্চয়পত্রের লেনদেনে ভোগান্তি কমাতে চালু হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম বেসরকারি সংস্থা সেতুতে ১৬৯ পদে নিয়োগ, বেতন ও আবেদনের নিয়মাবলি কাতারে ট্যাক্সি ও লিমোজিন সেবায় নিরাপত্তা ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করল কর্তৃপক্ষ হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদের তথ্য দিলে মিলবে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার

লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল

সৃষ্টি কৃষি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল ২০২২ ১৮৫৬ বার পড়া হয়েছে

লাউ এর মাছি পোকা দমন

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল।

লাউ আমাদের দেশে বহুল জনপ্রিয় একটি সবজি। গুণে-মানে অতুলনীয় এই সবজি চাষে কম ধকল পোহাতে হয় না চাষীদের। স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ওভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী রং ধারন করে । ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে। ফল বিকৃত হয়। হলুদ হয়ে পঁচে ঝড়ে যায়।

জেনে নিন>> আমের রোগ বালাই ও প্রতিকার

লাউ এর মাছি পোকা চেনার উপায়:

এ পোকা দেখতে সাধারণ মাছির মতো, স্বচ্ছ পাখা, হলুদ পা, ত্রিকোণাকার পেট ও বাদামী ঘাড় মাঝে লম্বা হলুদ দাগ বিশিষ্ট। এটি খুবই ক্ষতিকর পোকা যা ফসলের ১০০ ভাগ ক্ষতি করে থাকে সময়মত দমন না করলে।

লক্ষণ:

১। স্ত্রী পোকা কচি ফলের নিচের দিকে অভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পারে

২। আক্রান্ত ফল থেকে পানির মতো তরল পদার্থ বেরিয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী বর্ণ ধারণ করে

৩। ডিম থেকে কীড়া বের হয় তা পরে ফলের শাস খেতে শুরু করে যার কারণে ফল বিকৃত হয়, পচে যায় ও হলুদ বর্ণ ধারণ কোড়ে ঝ্রে পরে যায়।

৪। বিকৃত ফল না বাড়ার কারণে ফলন কমে যায়।

প্রতিকার:

১।পোকা আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। কচি ফল গুলোকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

২। এ পোকা দমনের জন্য বিষটোপ অথবা ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে। লাউ এর মাচার কাছে একেই উচ্চতায় একটি মাটির পাত্রে ১০০ গ্রাম কুমড়া/লাউ থেতলানো/বাটা নিয়ে তাতে ৫/৬ ফোটা যে কোন কীটনাশক (দানাদার কীটনাশক)মিশিয়ে উপরে একটি ঢাকনা কিছুটা ফাঁকা করে স্থাপন করতে হবে। এভাবে বিষটোপ তৈরী করে পোকা দমন করা যায়।

জেনে নিন>> ইরি ধানের চারার ব্লাইট রোগ ও প্রতিকার

৩। সেক্স ফেরোমন এর মাধ্যমে মাছি পোকা দমন বেশ কার্যকরী। প্রতি বিঘা জমিতে ৭-৯ টি।

৪।. আক্রান্ত ফল বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংস করা বা পুড়িয়ে ফেলতে হয়।

৫। রাতে আলোর ফাঁদ দিয়ে পোকা মেরে ফেলতে হবে।

৬। আম বা খেজুরের রসে সামান্য বিষ মিশিয়ে বোতলে রেখে জানালা কেটে ক্ষেতের মাঝে স্থাপন করা যায়।

৭। ভালোভাবে জমি চাষ দিয়ে পোকার পুত্তলি পাখিদের খাওয়ার সুযোগ করে দিন।

৮।পোকার আক্রমন খুব বেণি হলে  সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন সাইপার ২০ মিলিলিটার অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার স্প্রে করতে হবে।কীটনাশক স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

জেনে নিন>> হিট স্টোকে ধান চিটা হওয়া থেকে বাঁচানোর কৌশল

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল

আপডেট সময় : ০৫:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল ২০২২

লাউ এর মাছি পোকা দমন করার কৌশল।

লাউ আমাদের দেশে বহুল জনপ্রিয় একটি সবজি। গুণে-মানে অতুলনীয় এই সবজি চাষে কম ধকল পোহাতে হয় না চাষীদের। স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ওভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী রং ধারন করে । ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে। ফল বিকৃত হয়। হলুদ হয়ে পঁচে ঝড়ে যায়।

জেনে নিন>> আমের রোগ বালাই ও প্রতিকার

লাউ এর মাছি পোকা চেনার উপায়:

এ পোকা দেখতে সাধারণ মাছির মতো, স্বচ্ছ পাখা, হলুদ পা, ত্রিকোণাকার পেট ও বাদামী ঘাড় মাঝে লম্বা হলুদ দাগ বিশিষ্ট। এটি খুবই ক্ষতিকর পোকা যা ফসলের ১০০ ভাগ ক্ষতি করে থাকে সময়মত দমন না করলে।

লক্ষণ:

১। স্ত্রী পোকা কচি ফলের নিচের দিকে অভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পারে

২। আক্রান্ত ফল থেকে পানির মতো তরল পদার্থ বেরিয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী বর্ণ ধারণ করে

৩। ডিম থেকে কীড়া বের হয় তা পরে ফলের শাস খেতে শুরু করে যার কারণে ফল বিকৃত হয়, পচে যায় ও হলুদ বর্ণ ধারণ কোড়ে ঝ্রে পরে যায়।

৪। বিকৃত ফল না বাড়ার কারণে ফলন কমে যায়।

প্রতিকার:

১।পোকা আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। কচি ফল গুলোকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

২। এ পোকা দমনের জন্য বিষটোপ অথবা ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে। লাউ এর মাচার কাছে একেই উচ্চতায় একটি মাটির পাত্রে ১০০ গ্রাম কুমড়া/লাউ থেতলানো/বাটা নিয়ে তাতে ৫/৬ ফোটা যে কোন কীটনাশক (দানাদার কীটনাশক)মিশিয়ে উপরে একটি ঢাকনা কিছুটা ফাঁকা করে স্থাপন করতে হবে। এভাবে বিষটোপ তৈরী করে পোকা দমন করা যায়।

জেনে নিন>> ইরি ধানের চারার ব্লাইট রোগ ও প্রতিকার

৩। সেক্স ফেরোমন এর মাধ্যমে মাছি পোকা দমন বেশ কার্যকরী। প্রতি বিঘা জমিতে ৭-৯ টি।

৪।. আক্রান্ত ফল বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংস করা বা পুড়িয়ে ফেলতে হয়।

৫। রাতে আলোর ফাঁদ দিয়ে পোকা মেরে ফেলতে হবে।

৬। আম বা খেজুরের রসে সামান্য বিষ মিশিয়ে বোতলে রেখে জানালা কেটে ক্ষেতের মাঝে স্থাপন করা যায়।

৭। ভালোভাবে জমি চাষ দিয়ে পোকার পুত্তলি পাখিদের খাওয়ার সুযোগ করে দিন।

৮।পোকার আক্রমন খুব বেণি হলে  সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন সাইপার ২০ মিলিলিটার অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার স্প্রে করতে হবে।কীটনাশক স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

জেনে নিন>> হিট স্টোকে ধান চিটা হওয়া থেকে বাঁচানোর কৌশল

 

 

Facebook Comments Box