ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সামুদ্রিক নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে সরকারের গুরুত্বারোপ: প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জোরদার পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা: ৩০ সেকেন্ডের গেরিলা কৌশলে আতঙ্ক সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় সারির দল পাঠাবে ভারত পরিচালনায় নতুন গল্প নিয়ে ফিরছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাণ্ডব: দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি নাহিদের পাইকগাছা উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম গঠন বামনডাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে রোমা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন ডোমারের মির্জাগঞ্জ স্টেশনে ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ, ৫ ঘণ্টা পর চলাচল স্বাভাবিক  রাণীশংকৈলে পুলিশের জালে মাদক কারবারি ইয়াবাসহ আটক

আধুনিক পদ্ধতিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ পদ্ধতি

সৃষ্টি কৃষি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৫৪৪৮ বার পড়া হয়েছে

মরিচ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আধুনিক পদ্ধতিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ পদ্ধতি।

হাইব্রিড মরিচ একটি অধিক ফলনশীল মরিচ।মরিচ তরকারী রান্নার উল্লেখ যোগ্য মসলা। মরিচ  ছাড়া তরকারী সেটা ভাবাই যায় না।

জাত: হাইব্রিড জাতের হাইব্রিড মরিচ চাষ করলে ফলন অনেক বেশী পাওয়া যায়। সানড্রপ,স্টার প্লাস,বাম্পার,বিজলী,বিজলী প্লাস, জেদি-১৭০১,চিলি-১৭০১  হাইব্রিড বীজ গুলো বেশ ভালো।

জমিঃ বাংলাদেশের সব এলাকা হাইব্রিড মরিচ চাষের উপযোগী।দোঁআশ পলি দো-আশ মাটি হাইব্রিড মরিচ চাষের জন্য বেশী উপযোগী।

হাইব্রিড মরিচ চাষের জন্য মাটির কাঙ্কিত মান  পি এইচ ৫.৫ থেকে ৬.৭ এবং তাপমাত্রা ২৫0  সেঃ থেকে ৩০0 সেঃ।

দেখুন >>  লাভ জনক পদ্ধতিতে ফুলকপি চাষ

বীজ বপনের সময়ঃ মরিচ মুলত শীতকালীণ ফসল। তবে সারা বছরই চাষ করা যায়। বর্ষা মৌসুমে উচু বেলে দো-আঁশ মাটিতে রোপণ না করলে অতিরিক্ত বৃষ্টির সময় গাছ মারা যায়। ভাদ্র- কার্তিক মাস হাইব্রিড মরিচ বপণের উপযুক্ত সময়।এ সময় রোপণ করলে ফলন অনেক বেশী পাওয়া যায়।

বীজের পরিমানঃ প্রতি শতাংশে ১০০-১২০ টি চারা রোপন করতে হবে। আগাম চাষে লেট চাষের চেয়ে একটু বেশী চারা লাগে।

বীজ বপন পদ্ধতিঃ হাইব্রিড মরিচ বীজ বেডে/বীজ তলায় বপন করা যায়। বীজ বপনের পূর্বে বীজ রোদে  ১-২ ঘন্টা  রেখে ঠান্ডা করার পর বীজ তলায় বীজ বপন করতে হবে। এতে অঙ্কুরোদগম দ্রুততর হয়। বৃষ্টির সময় পলিথিন বা চাটাই দিয়ে বেড ঢেকে রাখতে হবে। যাতে চারা বৃষ্টিতে ভিজে না যায় চারায় বৃষ্টি পড়লে চারার গোড়া পচা যাবে।

 চারা রোপণ: জমি ভালো ভাবে তৈরী করার পর সারি থেকে সারি ২০-২২ ইঞ্চি এবং চারা থেকে চারার দুরত্ব ২২-২৪ ইঞ্চি দুরত্বে চারা রেপন করতে হবে। চারার বয়স ২০-২৫ দিন হলে নিদৃষ্ট দুরত্বে একটি সবল চারা রোপন করতে হবে।

তৈরী ও সার প্রয়োগঃভালো ভাবে জমি চাষ করে রোদে শুকানোর সোর প্রয়োগ করতে হবে।

(প্রতি শতাংশে সার প্রয়োগ)

সার জমি তৈরীর সময় শেষ চাষের সময় প্রথম উপরী প্রয়োগ ২য় উপরী প্রয়োগ ৩য় উপরী প্রয়োগ
গোবর ৫০ কেজি – – – –
ইউরিয়া – ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম
টিএসপি – ৮০০ গ্রাম – – –
ডি এ পি – – – ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম
এমওপি – ৪০০ গ্রাম – –
জিপসাম ২০০ গ্রাম – – ২০০ গ্রাম –
জিংক – ৫০ গ্রাম – – –
বোরণ – ৫০ গ্রাম – – –
সালফার ৫০ গ্রাম – – ৫০ গ্রাম –
দানাদার কীটনাশক – ৭৫ গ্রাম – – –

পরিচর্যা: চারা রোপণের ১৫ দিন পর চারার লাইনের ফাকের মাটি উইডার দিয়ে আলগা করে মাটিকে ঝুরঝুরে করতে হবে। ২য় উপরী সার প্রয়োগ করে গাছের গোড়ায় লাইনের পাশের মাটি তুলে দিয়ে বেড করতে হবে। এতে সেচ দিতে সুবিধা হবে। মাটিতে রস কমে গেলে মাঝে মাঝে সেচ দিতে হবে।

সংগ্রহ ও ফলনঃ বীজ বপনের ৮০-৯০ দিন পর ফসল সংগ্রহ শুরু হয়। ১০-১৫ দিন পরপর প্রতি শতকে প্রায়  ৮-১০ কেজি মরিচ পাওয়া যায়।

পোকামাকড় ও বলাই দমনঃ হাইব্রিড মরিচ চারা গজানোর পর থেকে ফসল তোলার ২৫ দিন পূর্ব পর্যন্ত নিয়মিত ম্যানকোজেব/কার্বাডিজেম ও কপার অক্সিক্লোরাইড জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে।

মরিচ পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।লেদা পোকার জন্য সাইপারমেথ্রিন ও ক্লোরোপাইরিফস কীটনাশক একত্রে বিকেলে গাছে স্প্রে করতে হবে। নিয়মিত বালাই নাশক ব্যবহার করলে কান্ড পচা ও ডাল পচা রোগে সহজে আক্রান্ত হয় না।

মরিচ গাছের আকার দুর্বল ও মরিচের সাইজ ছোট  হলে ডিএপি ও ইউরিয়া সার উপরী প্রয়োগ করতে হবে। জৈব উদ্দীপক হরমোন( জিবরেলিক এসিড, নাইট্রো বেনজিন ইত্যাদি  ১৫ দিন পর পর ৩-৪ বার ব্যবহার করতে হবে।)  সলুবর বোরণ, চিলেটেড জিংক ৩/৫ বার মরিচ তোলার পর  ১৫ দিন পরপর নির্দেশিত  মাত্রায় স্প্রে এবং ডি এ পি সার শতকে ২০০ গ্রাম  উপরী  প্রয়োগ করতে হবে।

দেখুন   >> পটল চাষ:এক বার রোপণ করলে টানা চার বছর বিক্রি

মরিচ লাল মাকড়ের, সাদা মাছি ও জাব পোকা দ্বারা খুবই আক্রান্ত হয়। মরিচ লাল মাকড় দ্বারা আক্রান্ত হলে পাতা কুঁকড়ে ও ছোট হয়ে যায়।গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা হলদে রং ধারণ করে।

এমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের ঔষধ নির্দেশিত মাত্রায় প্রয়োগ করে ৩ দিন পর সালফার ৮০ WP স্প্রে করতে হবে।

এর তিন দিন পর এবামেকটিন/এসিফেট গ্রুপের ঔষধ নির্দেশিত মাত্রায় স্প্রে করতে হবে। প্রথম স্প্রের ৭ দিন পর আবারো এভাবে আরও একবার ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে।

সাদামাছি  দ্বারা পাতা ছোট ও হলুদ হয়ে যায়। সাদা মাছি দ্বারা মরিচ আক্রান্ত হলে এমিডাক্লোরোপ্রিড /এবামেকটিন/এসিফেট নির্দেশিত মাত্রায় ৭ দিন পরপর  ২/৩ বার স্প্রে করলে ঠিক হয়ে যাবে।

জাব পোকা  পাতার নিচের দিকে আক্রমন করে। এর আক্রমনে পাতা ছোট হয় এবং নৌকার আকার ধারণ করে । জাব পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে দ্বারা মরিচ আক্রান্ত হলে এমিডাক্লোরোপ্রিড /এবামেকটিন/এসিফেট নির্দেশিত মাত্রায় ৭ দিন পরপর  ২/৩ বার স্প্রে করলে ঠিক হয়ে যাবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

9 thoughts on “আধুনিক পদ্ধতিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ পদ্ধতি”

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আধুনিক পদ্ধতিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ পদ্ধতি

আপডেট সময় : ০৭:০১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আধুনিক পদ্ধতিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ পদ্ধতি।

হাইব্রিড মরিচ একটি অধিক ফলনশীল মরিচ।মরিচ তরকারী রান্নার উল্লেখ যোগ্য মসলা। মরিচ  ছাড়া তরকারী সেটা ভাবাই যায় না।

জাত: হাইব্রিড জাতের হাইব্রিড মরিচ চাষ করলে ফলন অনেক বেশী পাওয়া যায়। সানড্রপ,স্টার প্লাস,বাম্পার,বিজলী,বিজলী প্লাস, জেদি-১৭০১,চিলি-১৭০১  হাইব্রিড বীজ গুলো বেশ ভালো।

জমিঃ বাংলাদেশের সব এলাকা হাইব্রিড মরিচ চাষের উপযোগী।দোঁআশ পলি দো-আশ মাটি হাইব্রিড মরিচ চাষের জন্য বেশী উপযোগী।

হাইব্রিড মরিচ চাষের জন্য মাটির কাঙ্কিত মান  পি এইচ ৫.৫ থেকে ৬.৭ এবং তাপমাত্রা ২৫0  সেঃ থেকে ৩০0 সেঃ।

দেখুন >>  লাভ জনক পদ্ধতিতে ফুলকপি চাষ

বীজ বপনের সময়ঃ মরিচ মুলত শীতকালীণ ফসল। তবে সারা বছরই চাষ করা যায়। বর্ষা মৌসুমে উচু বেলে দো-আঁশ মাটিতে রোপণ না করলে অতিরিক্ত বৃষ্টির সময় গাছ মারা যায়। ভাদ্র- কার্তিক মাস হাইব্রিড মরিচ বপণের উপযুক্ত সময়।এ সময় রোপণ করলে ফলন অনেক বেশী পাওয়া যায়।

বীজের পরিমানঃ প্রতি শতাংশে ১০০-১২০ টি চারা রোপন করতে হবে। আগাম চাষে লেট চাষের চেয়ে একটু বেশী চারা লাগে।

বীজ বপন পদ্ধতিঃ হাইব্রিড মরিচ বীজ বেডে/বীজ তলায় বপন করা যায়। বীজ বপনের পূর্বে বীজ রোদে  ১-২ ঘন্টা  রেখে ঠান্ডা করার পর বীজ তলায় বীজ বপন করতে হবে। এতে অঙ্কুরোদগম দ্রুততর হয়। বৃষ্টির সময় পলিথিন বা চাটাই দিয়ে বেড ঢেকে রাখতে হবে। যাতে চারা বৃষ্টিতে ভিজে না যায় চারায় বৃষ্টি পড়লে চারার গোড়া পচা যাবে।

 চারা রোপণ: জমি ভালো ভাবে তৈরী করার পর সারি থেকে সারি ২০-২২ ইঞ্চি এবং চারা থেকে চারার দুরত্ব ২২-২৪ ইঞ্চি দুরত্বে চারা রেপন করতে হবে। চারার বয়স ২০-২৫ দিন হলে নিদৃষ্ট দুরত্বে একটি সবল চারা রোপন করতে হবে।

তৈরী ও সার প্রয়োগঃভালো ভাবে জমি চাষ করে রোদে শুকানোর সোর প্রয়োগ করতে হবে।

(প্রতি শতাংশে সার প্রয়োগ)

সার জমি তৈরীর সময় শেষ চাষের সময় প্রথম উপরী প্রয়োগ ২য় উপরী প্রয়োগ ৩য় উপরী প্রয়োগ
গোবর ৫০ কেজি – – – –
ইউরিয়া – ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম
টিএসপি – ৮০০ গ্রাম – – –
ডি এ পি – – – ২০০ গ্রাম ২০০ গ্রাম
এমওপি – ৪০০ গ্রাম – –
জিপসাম ২০০ গ্রাম – – ২০০ গ্রাম –
জিংক – ৫০ গ্রাম – – –
বোরণ – ৫০ গ্রাম – – –
সালফার ৫০ গ্রাম – – ৫০ গ্রাম –
দানাদার কীটনাশক – ৭৫ গ্রাম – – –

পরিচর্যা: চারা রোপণের ১৫ দিন পর চারার লাইনের ফাকের মাটি উইডার দিয়ে আলগা করে মাটিকে ঝুরঝুরে করতে হবে। ২য় উপরী সার প্রয়োগ করে গাছের গোড়ায় লাইনের পাশের মাটি তুলে দিয়ে বেড করতে হবে। এতে সেচ দিতে সুবিধা হবে। মাটিতে রস কমে গেলে মাঝে মাঝে সেচ দিতে হবে।

সংগ্রহ ও ফলনঃ বীজ বপনের ৮০-৯০ দিন পর ফসল সংগ্রহ শুরু হয়। ১০-১৫ দিন পরপর প্রতি শতকে প্রায়  ৮-১০ কেজি মরিচ পাওয়া যায়।

পোকামাকড় ও বলাই দমনঃ হাইব্রিড মরিচ চারা গজানোর পর থেকে ফসল তোলার ২৫ দিন পূর্ব পর্যন্ত নিয়মিত ম্যানকোজেব/কার্বাডিজেম ও কপার অক্সিক্লোরাইড জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে।

মরিচ পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।লেদা পোকার জন্য সাইপারমেথ্রিন ও ক্লোরোপাইরিফস কীটনাশক একত্রে বিকেলে গাছে স্প্রে করতে হবে। নিয়মিত বালাই নাশক ব্যবহার করলে কান্ড পচা ও ডাল পচা রোগে সহজে আক্রান্ত হয় না।

মরিচ গাছের আকার দুর্বল ও মরিচের সাইজ ছোট  হলে ডিএপি ও ইউরিয়া সার উপরী প্রয়োগ করতে হবে। জৈব উদ্দীপক হরমোন( জিবরেলিক এসিড, নাইট্রো বেনজিন ইত্যাদি  ১৫ দিন পর পর ৩-৪ বার ব্যবহার করতে হবে।)  সলুবর বোরণ, চিলেটেড জিংক ৩/৫ বার মরিচ তোলার পর  ১৫ দিন পরপর নির্দেশিত  মাত্রায় স্প্রে এবং ডি এ পি সার শতকে ২০০ গ্রাম  উপরী  প্রয়োগ করতে হবে।

দেখুন   >> পটল চাষ:এক বার রোপণ করলে টানা চার বছর বিক্রি

মরিচ লাল মাকড়ের, সাদা মাছি ও জাব পোকা দ্বারা খুবই আক্রান্ত হয়। মরিচ লাল মাকড় দ্বারা আক্রান্ত হলে পাতা কুঁকড়ে ও ছোট হয়ে যায়।গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা হলদে রং ধারণ করে।

এমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের ঔষধ নির্দেশিত মাত্রায় প্রয়োগ করে ৩ দিন পর সালফার ৮০ WP স্প্রে করতে হবে।

এর তিন দিন পর এবামেকটিন/এসিফেট গ্রুপের ঔষধ নির্দেশিত মাত্রায় স্প্রে করতে হবে। প্রথম স্প্রের ৭ দিন পর আবারো এভাবে আরও একবার ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে।

সাদামাছি  দ্বারা পাতা ছোট ও হলুদ হয়ে যায়। সাদা মাছি দ্বারা মরিচ আক্রান্ত হলে এমিডাক্লোরোপ্রিড /এবামেকটিন/এসিফেট নির্দেশিত মাত্রায় ৭ দিন পরপর  ২/৩ বার স্প্রে করলে ঠিক হয়ে যাবে।

জাব পোকা  পাতার নিচের দিকে আক্রমন করে। এর আক্রমনে পাতা ছোট হয় এবং নৌকার আকার ধারণ করে । জাব পোকা দ্বারা আক্রান্ত হলে দ্বারা মরিচ আক্রান্ত হলে এমিডাক্লোরোপ্রিড /এবামেকটিন/এসিফেট নির্দেশিত মাত্রায় ৭ দিন পরপর  ২/৩ বার স্প্রে করলে ঠিক হয়ে যাবে।

Facebook Comments Box